অফারের পরের ধাপ
অফার অ্যাকসেপ্ট করলে ওই অ্যাপ্লিকেশনে দেশের ধাপগুলো যোগ করুন, তারপর একে একে শেষ করুন। ডিপোজিট, CAS, দরকার হলে টেস্ট, টাকা দেখানো, ভিসা, eVisa আর এনরোলমেন্ট। প্রতিটা ধাপে অফিসিয়াল পেজের লিংক আর দরকারি ডকুমেন্টের তালিকা থাকে।

ডিপোজিট দেওয়া, CAS নেওয়া, TB টেস্ট (দরকার হলে), ATAS সার্টিফিকেট (দরকার হলে), ২৮ দিন অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা, স্টুডেন্ট ভিসায় অ্যাপ্লাই, ইমিগ্রেশন হেলথ সারচার্জ দেওয়া, eVisa সেট আপ আর এনরোল করা।
প্রতিটা ধাপে সেই কাজের GOV.UK পেজের লিংক থাকে। তালিকাটা শেষ কবে ওই পেজগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে, সেই তারিখও দেখায়।
কোন ধাপে কী ডকুমেন্ট লাগে, দেখে নিন। ডকুমেন্ট ভল্টে রেখে লিংক করলে দেখবেন কোনগুলো এখনো বাকি।
শেষ হলে টিক দিন, যে ধাপ আপনার জন্য না সেটা স্কিপ করুন, ক্রম বদলান। নিজের ধাপও যোগ করতে পারবেন (যেমন “ফ্লাইট বুক করা”)। ইউনিভার্সিটির সময় ধরে শেষ তারিখ দিন।
অন্য কোনো দেশে অ্যাপ্লাই করছেন? ফাঁকা টেমপ্লেট নিয়ে নিজের তালিকা বানিয়ে নিন। আরও দেশের ধাপ আসছে।
এটা শুধু তথ্য, ইমিগ্রেশন পরামর্শ না। আপনি ভিসার যোগ্য কি না বা ভিসা পাবেন কি না, RightUni কখনো তা বলে না। সবসময় অফিসিয়াল পেজ দেখে নিন, অথবা অনুমোদিত ইমিগ্রেশন অ্যাডভাইজারের সাথে কথা বলুন।
অ্যাপ্লিকেশনের স্ট্যাটাস “অ্যাকসেপ্টেড” করুন।
এর “ধাপ” ট্যাব খুলে যুক্তরাজ্যের ধাপগুলো যোগ করুন (অথবা ফাঁকা থেকে শুরু করুন)।
একে একে ধাপগুলো শেষ করুন, সাথে সাথে ভল্ট থেকে ডকুমেন্ট লিংক করুন।
আরও উত্তর পাবেন প্রশ্ন-উত্তর পেজে।
শুরুতে যুক্তরাজ্যের। সাথে একটা ফাঁকা টেমপ্লেট আছে, বাকি ১১টা দেশের যেকোনোটার জন্য সেটা পূরণ করে নিতে পারবেন। আরও টেমপ্লেট আসছে।
এগুলো অফিসিয়াল GOV.UK পেজের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। শেষ কবে মেলানো হয়েছে, সেই তারিখও পাশে দেখায়। নিয়ম বদলায়, তাই কিছু করার আগে সবসময় অফিসিয়াল লিংকটা খুলে দেখে নিন।
না। RightUni সব গুছিয়ে রাখতে সাহায্য করে আর অফিসিয়াল সোর্স দেখিয়ে দেয়। কখনো ইমিগ্রেশন পরামর্শ দেয় না।
ইমেইল বা ফোন নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলুন। বিজ্ঞাপন নেই, এজেন্ট নেই, সেলস কল নেই।
ফ্রিতে শুরু করুন