প্রথম দুই সপ্তাহ বেশ ব্যস্ত কাটে। মোটামুটি এই সিরিয়ালে কাজগুলো করলে বাকি সব সহজ হয়ে যায়।
রওনা দেওয়ার আগে
- UKVI অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করে eVisa দেখতে পাচ্ছেন কি না, নিশ্চিত হোন। আপনার পাসপোর্ট এর সাথে লিংক করা থাকতে হবে।
- CAS, অফার লেটার, থাকার জায়গার তথ্য আর টাকার প্রমাণ হ্যান্ড লাগেজে রাখুন।
- এয়ারপোর্ট থেকে যাওয়ার গাড়ি বুক করুন, অথবা শহরে কীভাবে পৌঁছাবেন দেখে নিন। কিছু ইউনিভার্সিটি সেপ্টেম্বরে ফ্রি পিক-আপ দেয়।
- যুক্তরাজ্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চালু না হওয়া পর্যন্ত প্রথম কয়েক সপ্তাহ চলার মতো টাকা সাথে আনুন। এর কিছুটা পাউন্ডে রাখুন।
প্রথম সপ্তাহে
- ১ইউনিভার্সিটিতে এনরোল করুন। তারা আপনার পাসপোর্ট আর ভিসা স্ট্যাটাস চেক করবে।
- ২এলাকার একজন ডাক্তারের কাছে (GP সার্জারিতে) রেজিস্টার করুন। এটা ফ্রি। হেলথ সারচার্জ তো আপনি আগেই দিয়ে এসেছেন।
- ৩যুক্তরাজ্যে একটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলুন। অনেক ব্যাংক আর অ্যাপভিত্তিক ব্যাংকে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা পাসপোর্ট আর ইউনিভার্সিটির একটা লেটার দিয়েই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।
- ৪যুক্তরাজ্যের একটা SIM কার্ড নিন। প্রিপেইড বা শুধু SIM-এর মাসিক প্ল্যান সাধারণত সবচেয়ে সস্তা।
- ৫সব জায়গা চিনে নিন: লাইব্রেরি, আপনার ডিপার্টমেন্ট, স্টুডেন্টস ইউনিয়ন আর স্টুডেন্ট সাপোর্ট অফিস।
কাজ করতে চাইলে
- টার্মের সময় আর ছুটিতে আপনার ভিসায় কত ঘণ্টা কাজ করা যায়, দেখে নিন। লিমিট ভাঙলে ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে।
- অনলাইনে National Insurance নম্বরের জন্য অ্যাপ্লাই করুন। নম্বর আসার আগেই কাজ শুরু করতে পারবেন।
- ইউনিভার্সিটির ক্যারিয়ার সার্ভিস প্রায়ই ক্যাম্পাসের ভেতরের জবের খোঁজ দেয়। এই জবগুলো ক্লাসের রুটিনের সাথে সবচেয়ে ভালো মেলে।
নিজের যত্ন নিন
বাড়ির জন্য মন খারাপ সাধারণত কয়েক সপ্তাহ পর সবচেয়ে বেশি হয়। কোনো সোসাইটিতে যোগ দিন। আপনার দেশের স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন খুঁজে নিন। ইউনিভার্সিটির ওয়েলবিয়িং সার্ভিসও ব্যবহার করুন। এটা ফ্রি, আর আপনার কথা গোপন থাকে। “আপনার মতো স্টুডেন্ট” চালু করে থাকলে হয়তো একই ইউনিভার্সিটির কয়েকজনের সাথে আগেই পরিচয় হয়ে গেছে।
